অ
অকুল পাড় দেখে মোদের লাগল রে ভয়
অনেক ভাগ্যের ফলে সে চাঁদ কেউ দেখিতে পায়
অন্তিম কালের কালে ও কি হয় না জানি
অমর ভেবে সার
অমাবস্যার দিনে চন্দ্র থাকেন যেয়ে কোন শহরে
অখন্ড মন্ডলাকারং ব্যাপ্তং যেন চরাচর
অজান খবর না জানিলে কীসের ফকিরি
অধরাকে ধরতে পারি কই গো তারে তার
অনাদির আদি শ্রীকৃষ্ণনিধি
অনুরাগ নইলে কি সাধন হয়
অনুরাগের ঘরে মারগা চাবি
অনেক ভাগ্যের ফলে সে চাঁদ কেউ দেখিতে পায়
অন্তরে যার সদাই সহজরূপ জাগে
অন্ধকারে রাগের পরে ছিল যখন সাঁই
অন্ধকারের আগে ছিল সাঁই রাগে
অপারের কাণ্ডার নবিজী আমার
অবোধ মন তোরে আর কী বলি
অবোধ মন রে তোর হলো না দিশে।
অমৃত মেঘের বারি
অমৃত সে-বারি অনুরাগ নইলে কি যাবে ধরা
অসার ভেবে সার দিন গেল আমার
আ
আইন সত্য মানুষবর্ত করো এই বেলা
আইন মাফিক নিরিখ্ দিতে ভাব কি
আকার কি নিরাকার সাঁই রব্বানা
আকারে ভজন সাকারে সাধন, তায়
আগে কপাট মার কামের ঘরে
আগে কে জানে গো এমন হবে
আগে গুরুরতি কর সাধনা
আগে জান না রে মন
আগে জানো নারে মন
আগে পাত্র যোগ্য না করে যে জন সাধন করে
আগে মন সাজো প্রকৃতি
আগে শরিয়ত জান বুদ্ধি শান্ত করে
আছে আল্লা আলে রসুলকলে
আছে কোন মানুষের বাস কোন দলে
আছে দিন দুনিয়ার অচিন মানুষ একজনা
আছে ভাবের তালা যেই ঘরে
আছে মায়ের ওতে জগৎপিতা ভেবে দেখ না
আছে যার মনের মানুষ মনে তোলা
আছে যার মনের মানুষ মনে সেকি জপে মালা
আছেন কোথায় স্বর্গপুরে
আছেরে ভাবের গোরা আসমানে
আজ আমার অন্তরে কী হলো ও গো সই
আজ আমার কৌপিন দে গো ভারতী গোঁসাই
আজ কি দেখতে আলি গো তোরা বলনা তাই
আজ ব্রজপুরে কোন পথে যাই
আজ রোগ বাড়ালি শুধু কুপথ্যি করে
আজগবি বৈরাগ্য লীলা দেখতে পাই
আজব আয়নামহল মণি গভীরে
আজব এক রসিক-নাগর ভাসছে রসে
আজব রঙ ফকিরি
আজো করছে সাঁই ব্রহ্মাণ্ডের অপার লীলে
আঠার মোকামে একটি রূপের বাতি
আত্মতত্ত্ব সাধন করে জ্ঞানীজন বসে রয়
আদি মক্কা এই মানব দেহে, দেখনারে মন ভরে
আপন আপন চিনেছে যে জন
আপন খবর না যদি হয়
আপন মনে যার গরল মাখা থাকে
আপন মনের গুণে সকলি হয়
আপন মনের বাঘে যারে খায়
আপন সুরতে আদম গঠলেন দয়াময়
আপনার আপনি ফানা হলে
আপনার আপনি মন না জান ঠিকানা
আপনারে আপনি চিনিনে
আপ্ততত্ত্ব না জানিলে ভজন হবে না
আপ্ততত্ত্ব সাধন করে জ্ঞানীজন বসে রয়
আবহায়াতের নদী কোনখানে ।
আমায় চরণ-ছাড়া কর না হে দয়াল হরি
আমার একি কবার কথা
আমার ঘর খানায় কে বিরাজ করে।
আমার ঘরের চাবি পরেরই হাতে
আমার চরকা ভাঙ্গা টেকো আড়ানে
আমার দিন কি যাবে এই হালে
আমার দেখেশুনে জ্ঞান হলো না
আমার মতো প্রাণ কাঁদিলে
আমার মন-বিবাগী ঘোড়া বাগ ফিরাতে পারি নে দিবারাতে
আমার মনের বাসনা
আমার হয় না রে সে মনের মত মন
আমারে কি রাখবেন গুরু চরণদাসী
আমি অপার হয়ে বসে আছি
আমি ঐ চরণে দাসের যোগ্য নই।
আমি কার ছায়ায় দাঁড়াই বলো
আমি কি দোষ দিব কারে রে
আমি কি সন্ধানে যাই সেখানে
আমি কী তাই জানলে সাধন সিদ্ধ হয়
আমি কোথায় ছিলাম আবার কোথায় এলাম ভাবি তাই ।
আমি কোন সাধনে তারে পাই
আমি তো নইরে আমার
আমি বলি তোরে মন গুরুর চরণ কর রে ভজন
আমি যার ভাবে আজ মুড়িয়েছি মাথা
আয় কে যাবি ওপারে
আয় হারালি আমাবতী না মেনে
আয় দেখে যা নতুন ভাব এনেছে গোরা
আর আমার বলিস না রে ছিদাম ব্রজের কথা ।
আর আমারে মারিসনে মা
আর কি আসবে সেই কেলে সোনা এই গোকুলে
আর কি আসবে সেই গৌরচাঁদ এই নদীয়ায়
আর কি গৌর আসবেন ফিরে ।
আর কি পাশা খেলবরে
আর কি বসবো এমন সাধুর সাধবাজারে ।
আর কি হবে এমন জনম বসবো সাধুর মেলে
আর কেনরে মন ঘুর বাহিরে
আর তো কালার সে ভাব নাই কো সই
আলিফ লাম মিমেতে কোরান
আল্লা কে বোঝে তোমার অপার নীলে
আল্লা সে আল্লা বলে ডাকছে সদাই কার ফিকিরি
আল্লার বান্দা কিসে হয় বলো গো আমায়
আল্লাহ কে বোঝে তোমার অপার লীলে
আল্লাহ নাম সার করে যে জন বসে রয়
আল্লাহ বলো মন রে পাখী
আশা পূর্ন হলো না
আশাসিন্ধু তীরে বসে আছি সদাই
আশেক বিনে ভেদের কথা কে আর বোঝে
আশেকে উম্মত্ত যারা
আহাদে আহাম্মদ এসে
উ
উদয় কাল কলি রে ভাই কলি আমি বলি তাই
উপরোধে কাজ দেখ রে ভাই
এ
এ গোকুলে শ্যামের প্রেমে
এ জনম গেল রে অসার ভেবে
এ ধন যৌবন চিরদিনের নয়
এ বড় আজব কুদরতি
এ ভব তরঙ্গ দেখে আমার
এই গোকুলে শ্যামের প্রেমে কেবা না মজেছে সখি
এই দেশেতে এই সুখ হল
এই দেশেতে এই সুখ হল আবার কোথায় যাই না জানি
এই বেলা তোর ঘরের খবর জেনে নে রে মন
এই বেলা তোর মনের মানুষ চিনে সাধন কর
এই মানুষে সেই মানুষ আছে
এক অজান মানুষ ফিরছে দেশে
এক আসমানি চোর ভবের শহর লুটছে সদাই
এক ফুলে চার রঙ ধরেছে
এক ফুলের মর্ম জানতে হয়
একদিন পারের কথা ভাবলি নারে
একবার চাঁদবদনে বল রে সাঁই
একবার জগন্নাথে দেখ না রে যেয়ে
একবার ভবের কেনারে লাগাও তরী
একাকারে হুহুংকার মেরে আপনি সাঁই রাব্বানা
একি অনন্ত লীলা তার দেখ এবার
একি আজগুবি এক ফুল
এখন আর ভাবলে কি হবে
এখন কেনে কাঁদছ রাধে নির্জনে
এখনো সাধ আছে তোমার আ’ল ঠেল বলে
এনে মহাজনের ধন বিনাশ করলি ক্ষ্যাপা
এবার কে তোর মালেক চিনলে না তারে
এমন দিন কি হবে রে আর
এমন মানব জনম আর কি হবে
এমন মানব সমাজ কবে গো সৃজন হবে
এমন সৌভাগ্য আমার কবে হবে
এলাহি আলমিন গো আল্লাহ বাদশাহ আলমপনা তুমি
এসো দয়াল আমায় পার কর ভবের ঘাটে
এসো হে অপারের কাণ্ডারি
ঐ
ঐ কালার কথা কেন বলো আজ আমায়
ঐ গোরা কি শুধুই গোরা ওগো নাগরী
ঐ রূপ তিলে তিলে জপ মন জুতে
ঐ এক অজানা মানুষ ফিরছে দেশে
ও
ও গো বিন্দে ললিতে
ও গো ব্রজ নীলে একি নীলে
ও গৌরের ভাব রাখিতে সামান্যে কি পারবি তোরা
ও তোর ঠিকের ঘরে ভুল পড়েছে মন
ও মন কর সাধনা মায়ায় ভুল না
ওগো তোমার নিগূঢ় লীলা সবাই জানে না
ওগো মানুষের তত্ত বল না
ওগো রাইসাগরে নামলো শ্যামরায়
ওমা যশোদে তায় আর বললে কী হবে
ও আমার মন যারে চাই
ও জীবের ধান্ধা কেন যায় না
ও তার ঠিকের ঘরে ভুল পড়েছে মন
ও মন, কে তোমার যাবে সাথে
ও মন, দেখে শুনে ঘোর গেল না
ওই গোরা কি শুধুই গোরা ওগো নাগরী
ও কালার কথা কেন বল আজ আমায়
ও গো জ্যান্তে মরা সে প্রেম-সাধনে
ও গো রাই-সাগরে নামলো শ্যামরায়
ও গৌরের প্রেম রাখিতে
ও তোর ঠিকের ঘরে ভুল পড়েছে মন
ও পারের কাণ্ডারী নবীজী আমার
ও মন, কে তোমারা যাবে সাথে
ও মন, ফিন পোড়ায় তো খাঁটি হ'লে না
ও মন, বল রে সদা লায়লাহা ইল্লেল্লা
ও মন, যে না বোঝে সেইরূপ সে হয়
ওরে মন আমার, গেল জানা
ও সে প্রেম করা কি কথারি কথা
ও সে ফুলের মর্ম জানতে হয়
ও সে রূপের ঘরে অটল রূপ বিহারে
ক
কই হল মোর মাছ ধরা
করি কেমনে সহজ শুদ্ধ প্রেম সাধন
করেছে কি শোভা সাঁই রঙমহলে
করোরে পেয়ালা কবুল শুদ্ব ইমানে
করি মানা কাম ছাড়েনা মদনে
কয় দমেতে বাজে ঘড়ি করবে ঠিকানা
কাজ কি আমার এ ছার কুলে
কার ভাবে এ ভাব হারে জীবন কানাই
কারে সুধাই আজ সে কথা
কাল কাটালি কালের বশে
কি শোভা করেছেন সাঁই রঙমহলে
কি সন্ধানে যাই সেখানে
কানাই, একবার এই ব্রজের দশা দেখে যা রে
কানাই, কার ভাবে তোর এভাব দেখিরে
কার ভাবে এভাব হাঁরে জীবন কানাই
কার ভাবে শ্যাম নদেয় এলো
কারে দিব দোষ, নাহি পরের দোষ
কারে বলবো আমার মনের বেদনা
কারে বলে অটল-প্রাপ্তি ভাবি তাই
কারে শুধাব রে মর্মকথা
কাল কাটালি কালের বশে
কাশী কি মক্কায় যাবি যে মন
কি সাধনে পাই গো তারে, যার নাম অধর
কী আইন আনিলেন নবি সকলের শেষে
কুলের বউ ছিলাম বাড়ি
কে তোমারে এ বেশ ভূষণ
কে তোর মালেক চিনলি না রে
কে বানাইলো এমন রঙমহল খানা
কে বোঝে মাওলার আলেকবাজি
কে আজ কোপীন পরালে তোরে
কে কথা কয় রে দেখা দেয় না
কে গো জানবে তারে
কে কাহারে চিনতে পারে
কে তোমায় এ বেশ ভূষণে সাজাইল বল শুনি
কেন কাছের মানুষ ডাকছো জোর করে
কেন খুঁজিস মনের মানুষ বনে সদায়
কেন চাঁদের জন্য চাঁদ কাঁদে রে
কে পারে সে মকরউল্লার মকর বুঝিতে
কে বানালে এমন রঙমহলখানা
কে বুঝিতে পারে আমার সাঁইর কুদরতি
কে বোঝে তোমার অপার লীলে
কে বোঝে মন মওলার আলেক বাজী
কে বোঝে সাঁইর লীলাখেলা
কে বোঝে সেই কৃষ্ণের অপার লীলে
কে ভাসায় ফুল প্রেমের ঘাটে
কেন খুঁজিস মনের মানুষ বনে সদাই
কেন ডুবলি না মন গুরুর চরণে
কেন সময় বুঝে বাঁধাল বাঁধলে না
কোথা কানাই গেলি রে প্রাণের ভাই
কোথা গেলি রে কানাই
কোথা রইলে হে ও দয়াল কাণ্ডারী
কোথায় আছেরে সেই দ্বীন দরদী সাঁই
কোথায় রইলে হে দয়াল কাণ্ডারি
কোন কলে নানাবিধ আওয়াজ উদয়
কারে দিব দোষ
কারে বলবো আমার মনের বেদনা
কাল কাটালি কালের বশে
কি আজব কলে রসিক বানিয়েছে কোঠা
কি এক অচিন পাখি পুষলাম খাঁচায়
কি করি কোন পথে যাই মনে কিছু
কি করি ভেবে মরি
কি করি ভেবে মরি মন-মাঝি ঠাওর দেখিনে
কি ছার রাজত্ব করি
কি বলিস গো তোরা আজ আমারে
কিবা রূপের ঝলক দিচ্ছে দ্বি-দলে
কি ভাব নিমাই তোর অন্তরে
কিরূপ সাধনের বলে অধর ধরা যায়
কি শোভা দ্বি-দল ময়
কি সাধনে আমি পাই গো তারে
কি সাধনে পাই গো আমি তারে
কি সাধনে পাই গো তারে
কিসে আর বোঝাই মন তোরে
কি হবে আমারো গতি
কুদরতের সীমা কে জানে
কুলের বৌ হয়ে মন আর কতদিন
কৃতিকর্মার খেল কে বুঝতে পারে
কৃষ্ণপদ্মেরি কথা করোরে দিশে
কৃষ্ণ বিনে তেষ্টাত্যাগী
কিবা রূপের ঝলক দিচ্ছে দ্বিদলে
কিবা শোভা দ্বিদলের ‘পরে
কিসে আর বোঝাই মন তোরে
কুলের বৌ হয়ে মন আর কতদিন
কোন কুলে যাবি মনুরায়
কোন দেশে যাবি মন, চল দেখি যাই
কোন বা দেশের মানুষ গো, ও বলো
কোন রসে কোন রতির খেলা
কোন রাগে সে মানুষ আছে মহারসের ধনী
কোন্দিন সূর্যের অমাবস্যে
কোন্ দেশে যাবি মন চল দেখি যাই
কোন্ রসে কোন্ রতির খেলা
কোন্ রসে প্রেম সেধে হরি
কোন্ রাগে সে মানুষ আছে
কোন্ সাধনে তারে পাই
কোন্ সুখে সাঁই করেন খেলা এই ভবে
ক্ষ্যাপা তুই না জেনে তোর আপন খবর যাবি কোথায়
ক্ষম অপরাধ ওহে দীননাথ
ক্ষম ক্ষম অপরাধ
খ
খাঁচার ভিতর অচিন পাখি
খালি ভাঁড় থাকবে রে পড়ে
খোদে খোদার প্রেমিক যে জনা
খাকে গড়লো পিঞ্জিরে
খুঁজে ধন পাই কি মতে
খুল নে কেনে সে ধন
খাকি আদমের ভেদ সে ভেদ পশু কি বোঝে
খেলছে মানুষ নীরে ক্ষীরে
গ
গরল ছাড়া মানুষ আছে কে রে
গুণে পড়ে সারলি দফা
গুরু বস্তু চিনে নে না
গুরু সুভাব দাও আমার মনে
গুরুর চরণ অমূল্য ধন
গুরু গো সাঁই, হক নাম বল রসনা
গুরু দেখায় গৌর তাই দেখি কি গুরু দেখি
গুরু প্রতি রতি কৈ হ'লো
গুরু বিনে কি ধন আছে
গুরুর দয়া যারে হয় সেই জানে
গুরু-রূপের পুলক ঝলক দিচ্ছে যার অন্তরে
গুরু সু-ভাব দেও আমার মনে
গুরু দোহাই তোমার, মনকে আমার লও গো সুপথে
গুরু বল নৌকা খোল
গুরু বলে ধর পাড়ি মন হুঁস থেকে
গুরুপদে ডুবে থাক রে আমার মন
গুরুপদে নিষ্ঠা মন যার হবে
গুরুপদে মতি আমার হল কই
গুরুর দয়া যারে হয় সেই জানে
গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা
গোয়াল ভরা পুষনে ছেলে
গোষ্ঠে আর যাবোনা মাগো
গোপালকে আজ মারলি গো মা
গোরা কি আইন আনিল নদীয়ায়
গোল ক'রো না ও নাগরী, গোল ক'রো না গো
গোসাঁই, আমার দিন কি যাবে এই হালে
গোসাঁইর ভাব যেহি ধারা
গৌরপ্রেম অথাই আমি ঝাঁপ দিয়েছি তায়
ঘ
ঘরে বাস করে সে ঘরের খবর নাই
ঘরের চাবি পরের হাতে
ঘরের মধ্যে ঘর বেঁধেছেন
চ
চরণ পাই যেন অন্তিমকালে
চলো যাই আনন্দের বাজারে
চল্ দেখি মন কোন দেশে যাবি
চাঁদ আছে চাঁদে ঘেরা
চাঁদ বদনে বল গোসাঁই।
চাঁদ ধরা ফাঁদ জান না রে মন
চাঁদ-চকোরে রঙমহলে থেকে
চাঁদে চাঁদে চন্দ্রগ্রহন হয়
চাঁদ বলে চাঁদ কাঁদে কেনে
চাঁদে চকোরে রঙমহল ঘরে
চারটি চন্দ্র ভাবের ভুবনে
চাতক বাঁচে কেমনে
চাতক-স্বভাব না হ'লে
চিরদিন জল ছেঁচে মোর
চিনবে তারে এমন আছে কোন্ ধনি
চিরকাল জল ছেঁচে আমার জল
চিরদিন দুঃখের অনলে প্রান জ্বলছে আমার
চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি
চেয়ে দেখনা রে মন দিব্যনজরে
চেনে না যশোদা রাণী
ছ
ছার মানে মজে কৃষ্ণধনকে চেনো না
জ
জগৎ আলো করেছে সই ও ফুলে প্রেমের কলি
জগৎ মুক্তিতে ভোলালেল সাঁই
জগত শক্তিতে ভোলালে সাঁই
জগতের মূল কোথা হতে হয়
জমির জরিপ একদিনেতে সারা
জাত গেলো জাত গেলো বলে
জান গে সেই রাগের করণ
জানগে নূরের খবর যাতে নিরঞ্জন ঘেরা
জানগে পদ্ম নিরূপণ
জানগে বরজখ ভেদ প'ড়ে
জানগে মানুষের করণ কিসে হয়
জানগে যা গুরুর দ্বারে জ্ঞান উপাসনা
জান না রে মন
জানবো এই পাপী হতে
জানতে হয় আদম সফির আদ্যকথা
জানা উচিৎ বটে দুটি নূরের ভেদ-বিচার
জানা চাই অমাবস্যায় চাঁদ থাকে কোথায়
জানি মন প্রেমের প্রেমিক কাজে পেলে
জীব ম’লে যায় জীবান্তরে
জীব মলে জীব যায় কোনখানে
জ্যান্তে মরা প্রেম সাধন পারবি তোরা
ঠ
ঠাহর নাই আমার মন-কাণ্ডারি
ঠিকের ঘরে ভুল পড়েছে মন
ড
ডাক রে মন আমার হক নাম আল্লা বলে
ডুবে দেখ দেখি নদীর জলে মীনরূপে সাই খেলে
ডুবে দেখ দেখি মন কীরূপ লীলাময়
ডুবে দেখ দেখি মন ভবকূপে
ত
তরিকতে দাখিল হলে সকল জানা যায়
তা কি পারবি তোরা জ্যান্তে মরা সেই প্রেমসাধনে
তা কি মুখের কথায় হয়
তারে কি আর ভুলতে পারি আমার এই মনে
তারে চিনবে কেরে এই মানুষে
তিন দিনের তিন মর্ম জেনে
তিন পোড়াতে খাঁটি হলে না
তিল পরিমাণ জায়গাতে কী কুদরতিময়
তীরধারা বয় রে নদীর তীরধারা বয়
তুমি তো গুরু স্বরূপের অধীন
তুমি বা কার কে বা তোমার এই সংসারে
তোমরা আর আমায় কালার কথা বল না
তোমার ঠিকের ঘরে ভুল পড়েছে মন
তোমার মত দয়াল বন্ধু আর পাব না
তোর ছেলে যে গোপাল সে সামান্য নয় মা
তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে
তোরা আয় দেখে যা নূতন ভাব এনেছে গোরা
তুমি কার আজ কেবা তোমার এই সংসারে
থ
থাক না মন একান্ত হয়ে
দ
দমের উপর আসন ছিল তার
দয়াল নিতাই কারো ফেলে যাবে না
দস্তখত নবুয়ত যাহার হবে
দাঁড়া কানাই একবার দেখি
দাঁড়া তোরে একবার দেখি ভাই
দায়ে ঠেকে বলছ রে মন আল্লাগনি
দিন থাকতে মুরশিদ রতন চিনে নে না
দিন দুনিয়ার অচিন মানুষ আছে একজনা।
দিনে দিনে হলো আমার দিন আখেরি।
দিনের দিন হল আমার দিন আখেরি
দিবানিশি থাক রে মন বাহুশারি।
দিবারেতে থেকো সব রে বাহু সারি
দিব্যজ্ঞানে দেখ রে মনুরায়
দিল-দরিয়ার মাঝে দেখলাম আজব কারখানা
দিল দরিয়ার মাঝে রে মন
দীনের ভাব যেদিন উদয় হবে
দীনের ভাব যেহি ধারা
দেখ না আপন দেল-মন ধুড়ে
দেখ না এবার আপনার ঘর ঠাউরিয়ে
দেখ না রে ভাবনগরে ভাবের ঘরে ভাবের কিস্তি
দেখ না রে মন পুনর্জনম কোথা হতে হয়
দেখ রে আমার রাসুল যার কাণ্ডারি এই ভবে
দেখ রে মন দিন-রজনী কোথা হতে হয়
দেখনা মন ঝাক মারি
দেখবি যদি সেই চাঁদেরে
দেখবি যদি সোনার মানুষ দেখে যারে মন পাগলা
দেখলাম এ সংসার ভোজবাজি প্রকার
দেখ না মন, ঝকমারি এই দুনিয়াদারী
দেখ রে দিন কোথা হইতে হয়
দেখলাম কি কুদরতিময়
দেখলাম সেই অধরচাঁদের অন্ত নাই
দেখিলাম এ সংসার ভোজবাজি প্রকার
দেখে শুনে ঘোর গেল না
দেল-দরিয়ায় ডুবিলে কি সে ধড়ের খবর পায়।
দেল-দরিয়ায় ডুবে দেখ না
দেল ছুঁড়ে দেখনা মনা
দেহের খবর বলি শোন রে মন
দ্বীনের ডঙ্কা বাজে এবার
ধ
ধন্য আশেকিজনা এ দীন দুনিয়ায়
ধন্য ধন্য বলি তারে
ধন্য ভাব গোপীর ভাব আ মরি মরি
ধন্য মায়ের নিমাই ছেলে
ধন্য রে রূপ সনাতন জগৎমাঝে
ধর গো ধর গৌরাঙ্গচাঁদেরে
ধর চোর হাওয়ার ঘরে ফাঁদ পেতে।
ধর রে অধর চাঁদেরে অধরে অধর দিয়ে
ধ'রে আজাজীল ছেজদা বাকি রেখেছে কোন্খানে
ধররে অধর-চাঁদেরে অধরে অধর নিয়ে
ধোঁড় আজাজিল সেজদা বাঁকি রেখেছে কোনখানে
ধড়ে কোথায় মক্কা-মদিনা
ধ্যানে যারা পায় না মহামণি
ন
নজর একদিক দিলে আর একদিক অন্ধকার হয়
নদীর তির ধারা বয় রে
নরেকালে দুজন নূরী ভাসছে সদায়
নরেকারে ভাসছে রে এক ফুল
নবি একি আইন করলেন জারি
নবীজী মুরশিদ কোন্ ঘরে
নবি না চিনলে সে কি খোদার ভেদ পায়
নবির তরিকতে দাখিল হলে
নবীর আইন বোঝা সাধ্য নাই
না জেনে ঘরের খবর তাকাও আসমানে
না পড়িলে দায়েমি নামাজ সে কি রাজি হয়
না বুঝে মজো না পিরিতে
না জানি কেমন রূপ সে
না হলে মন সরলা কি ধন মেলে কোথায় ঢুঁড়ে
নানারূপ শুনে শুনে প্রেমে শূন্য পলাম খাতায়
না জেনে করণ কারণ কথায় কি হবে
না জেনে ঘরের খবর তাকাও কেন আশমানে
না হলে মন সরলা কি কথা মেনে কোথা ধুড়ে
না পড়িলে দায়েমী নামাজ সে কি রাজী হয়
নাম পাড়ালাম রসিক ভেয়ে
নাম সাধন বিফল বরজখ বিনে
নামে রসিক নাম ধরিয়ে
নামটি আমার সহজ মানুষ সহজ দেশে বাস করি
নবীর অঙ্গে জগৎ পয়দা হয়
নারীর এত মান ভাল নয় গো রাই কিশোরী
নিগূঢ় প্রেম কথাটি তাই আজ আমি
নিচে পদ্ম উদয় জগৎময়
নিচে পদ্ম চরকবাণে যুগল মিলন চাঁদ চকোরা
নীরে শুনি নিরঞ্জন হ’ল
নৈরাকারে দুইজন নূরি ভাসছে সদাই।
নৈরেকারে ভাসছে রে এক ফুল
প
পড়গে নামাজ জেনে শুনে
পড়গে নামাজ ভেদ বুঝে সুঝে
প'ড়ে ভূত আর হ'সনে মনুরায়
পড়োরে দায়েমী নামাজ এ দিন হ'লো আখেরি
পাখি কখন যেন উড়ে যায়
পাগল দেয়ানের মন কি ধন নিয়ে পাই
পাপধর্ম যদি পূর্বে লেখা যায়
পাবে সামান্য কে তারে দেখা
পার করো দয়াল, আমায় কেশে ধরে
পার করো হে দয়ালচাঁদ আমারে
পারে কে যাবি নবীর নৌকাতে আয়
পারে ল'য়ে যাও আমায়
পারো নিরহেতু সাধন করিতে
পিরিতি অমূল্য নিধি
প্যারী ক্ষম অপরাধ আমার
প্রেম কি সামান্যেতে রাখা যায়
প্রেম জান না প্রেমের হাটে বোলাবোলা
প্রেমের সন্ধি আছে দিন
পড় ইবনে আবদুল্লা
পড় গে নামাজ জেনে শুনে
পড় রে দায়েমি নামাজ এ দিন হল আখেরি
পড়ে ভূত আর হোস নে মনরায়।
পাখি কখন জানি উড়ে যায়
পাগল দেওয়ানের মন কী ধন দিয়ে পাই
পাপ পুন্যের কথা আমি কারে সুধাই
পাপধর্ম যদি পূর্বে লেখা যায়
পাপীর ভাগ্যে এমন দিন কি আর হবে রে
পাবি রে মন স্বরূপের দ্বারে
পাবে সামান্যে কি তার দেখা
পার করো দয়াল আমায় কেশে ধরে
পার করো হে দয়াল চাঁদ আমারে
পার নিহেতু সাধনা করিতে
পারে কে যাবি তোরা আয় না জুটে
পারে কে যাবি নবির নৌকাতে আয়
পূর্ণচন্দ্র উদয় কখন কর মন বিবেচনা
পেঁড়োর ভূত হয় যে জনা শোন রে মনা
প্যারী ক্ষম অপরাধ আমার
প্রাণ গৌররূপ দেখতে যামিনী
প্রেম করা কি কথার কথা
প্রেম কি সামান্যেতে রাখা যায়
প্রেম জানে না প্রেমের হাটের বুলবুলা
প্রেম পাথারে যে সাঁতারে
প্রেম প্রেম বলে করো কোর্ট কাচারি
প্রেম-ইন্দ্রবারি অনুরাগ নইলে কি যায় ধরা
প্রেম-নহরে ভেসেছে যারা
প্রেম-পিরীতের উপাসনা
প্রেমবাজারে কে যাবি তোরা আয় গো আয়
প্রেমের সন্ধি আছে তিন
ফ
ফকির হলি রে নিমাই কীসের দুঃখে
ফাঁক তালে দুনিয়াদারী হল দমের ঘরে বেদম ফাঁকি
ফকিরি করবি ক্ষ্যাপা কোন্ রাগে
ফের প’লো তোর ফকিরিতে
ফেরেব ছেড়ে করো ফকিরি
ফের প'লো তোর ফিকিরিতে
ব
বল কারে খুঁজিব ক্ষেপা দেশ-বিদেশে
বল স্বরূপ কোথায় আমার সাধের
বসত বাড়ীর ঝগড়া-কেজে
বাকির কাগজ গেল হুজুরে
বাড়ির কাছে আরশী নগর
বিনা পাগালে গড়িয়া কাচি করছ নাচানাচি
বিষয় বিষে চঞ্চল মন দিবা-রজনী
বেদে কি তার মরম জানে
বনে এসে হারালাম কানাই
বল রে স্বরূপ কোথায় আমার সাধের প্যারি
বলরে নিমাই বল আমারে।
বলি মা তোর চরন ধরে
বসত বাড়ির ঝগড়া কেজে
বল গো সজনি আমায় কেমন গো সেই
বল রে নিমাই বল আমারে
বল রে বলাই, তোদের ধরন কেমন হাঁরে
বল স্বরূপ কোথায় আমার সাধের সারী
বলো বলো কে দেখেছ গৌরচাঁদেরে
বাড়ির কাছে আরশীনগর
বিদেশীর সঙ্গে কেউ প্রেম করো না
বিনা কার্যে ধন উপার্জন কে করিতে পারে
বিনা পাগালে গড়িয়ে কাঁচি করছো নাচানাচি
বিনা মেঘে বর্ষে বারি
বিষম রাগের করণ করা
বিষয় বিষে চঞ্চলা মন দিবা রজনী
বিষামৃত আছে রে মাখাজোখা
বেদে কি তার মর্ম জানে
বোঝালে বোঝে না মনরায়
ব্রজলীলে একি লীলে
ব্রজের সেই প্রেমের মর্ম সবাই কি জানে
ব্রজের সে প্রেমের মর্ম সবায় কি জানে
বাকির কাগজ গেল হুজুরে
বারি যোগে চারি তালা খেলছে খেলা
ভ
ভবে মানব-গুরু নিষ্ঠা যার
ভুলব না ভুলব না বলি
ভক্তের দ্বারে বাঁধা আছেন সাঁই।
ভজ মুরশিদের কদম এই বেলা
ভজ রে আনন্দের গৌরাঙ্গ
ভজ রে জেনে শুনে
ভজনের নিগূঢ় কথা যাতে আছে
ভজরে আনন্দের গৌরাঙ্গ
ভজরে জেনে শুনে
ভজা উচিৎ বটে ছড়ার হাঁড়ি
ভবপারে যাবি কিরে গুরুর চরণ স্মরণ কর আগে
ভবে কে তাহারে চিনতে পারে
ভবে নামাজি হও যে জনা
ভবে মানুষ গুরু নিষ্ঠা যার
ভবের গোলা আসমানে
ভাবের উদয় যেদিন হবে
ভাল জল-ছেঁচা কল পেয়েছ মনা
ভুলো না মন কারো ভোলে
ভক্তের দ্বারে বাঁধা আছেন সাঁই
ভজনের নিগূঢ় কথা যাতে আছে
ভজ মুরশিদের কদম এই বেলা
ভজরে জেনে শুনে নবী রসুল নিজ প্রাণে
ভাবের উদয় যেদিন হবে
ভুলো না মন কারো ভোলে
ম
মওলা বলে ডাক রসনা
মধুর দেল দরিয়ায় ডুবে করো ফকিরি
মন চোরারে কোথা পাই
মন তুই করলি একি ইতরপনা
মন তোর আপন বলতে আর কে আছে
মন রে আত্মতত্ত্ব না জানিলে
মন সহজে কি সই হবা
মনের কথা বলবো কারে
মনের নেংটি এঁটে করো রে ফকিরী।
মনের হলো মতিমন্দ।
মনেরে বুঝাবো কত
মহা ভাবের মানুষ হয় যে জনা
মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি
মানুষ মানুষ সবাই বলে
মানুষতত্ত্ব যার সত্য হয় মনে
মায়েরে ভজিলে হয় তার বাপের ঠিকানা
মিলন হবে কতো দিনে
মুখে পড় রে সদা লা-ইলাহা ইল্লাল্লা
মুখে পড় রে সদাই
মুখের কথায় কি চাঁদ ধরা যায় রসিক না হলে
মুরশিদ বিনে কী ধন আর আছে রে মন এ জগতে
মুরশিদের ঠাঁই নে না রে তার ভেদ বুঝে
মুর্শিদ জানায় যারে
মুর্শিদের ঠাঁই নে নারে তার ভেদ বুঝে
মূল হারালাম লাভ করতে এসে
মেরে সাইর আজব কুদরতি তা কে বুঝতে পারে
মোকামে একটি রূপের বাতি জ্বলছে সদায়
মোরা গৌর স্বয়ংকার শিক্ষায় বলি
মধুর দেল দরিয়ায় ডুবিয়া কর ফকিরি
মন আইন মাফিক নিরিখ দিতে ভাবো কি
মন আমার আজ পড়লি ফেরে
মন আমার কি ছার গৌরব করছ ভবে
মন আমার কুসর মালা জাঠ হল রে
মন আমার তুই করলি একি ইতরপনা
মন কি তুই ভোড়ুয়া বাঙ্গাল জ্ঞান ছাড়া
মন তুমি সহজে কি সই হবা
মন বিবাগী বাগ মানে না রে
মন রে আত্মতত্ত্ব না জানিলে
মন, তোর আপন বলতে কে আছে
মন, তোরে আজ ধরতে পারতাম হাতে
মনে রে বুঝাবো কত
মনের কথা বলবো কারে
মনের মনে হল না একদিনে
মনের লেঙ্গুটি এঁটে কর রে ফকিরী
মনের হল মতি মন্দ
মনেরে বুঝাইতে আমার হল দিন আখেরী
মানবদেহের ভাব জেনে কর সাধনা
মদীনায় রসুল নামে কে এল ভাই
মধুর দিল-দরিয়ায় যে জন ডুবেছে
মন, আইন মাফিক নিরিখ দিতে ভাবো কি
মন আমার, কি ছার গৌরব ক'রছো ভবে
মন আমার তুই কল্লি এ কি ইতরপানা
মন আমার না জেনে মজনা পীরিতে
মন কি তুই ভেড়ুয়া বাঙ্গাল জ্ঞান-ছাড়া
মন-চোরেরে ধরবি যদি মন
য
যদি গৌরচাঁদকে পাই
যদি ফানার ফিকির জানা যায়
যদি শরায় কার্যসিদ্ধি হয়
যাও হে রাই-কুঞ্জে আর এসো না
যাবো রে এ স্বরূপ কোন্ পথে
যা যা ফানার ফিকির জান্গে যা রে
যারে ধ্যানে পায় না মহামুনি
যে জন হাওয়ার ঘরে ফাঁদ পেতেছে
যে পথে এসেছ রে মন
যে আমায় পাঠালে এহি ভাব-নগরে
যেওনা আন্দাজী পথে মন রসনা
যেওনা আন্দাজী পথে মন রসনা
যেখানে সাঁইর বারাম খানা
যে জন দেখেছে অটল রূপের বিহার
যে জন পদ্মহীন সরোবরে যায়
যে জন সাধকের মূল গোড়া
যে জন হাওয়ার ঘরে ফাঁদ পেতেছে
যে জানে ফানার ফিকির সেই ফকির
যেতে সাধ হয়রে কাশী
যেদিন ডিম্বভরে ভেসেছিলেন সাঁই
যে পথে সাঁই চলে ফেরে
যে প্রেমে শ্যাম গৌর হয়েছে
যে ভাব গোপীর ভাবনা
যে যাবি আজ গৌর-প্রেমের হাটে
যে যা ভাবে সেইরূপ সে হয়
যে যারে বোঝায়, সেই বোঝে
যে রূপে সাঁই আছে মানুষে
যে সাধন-জোরে কেটে যায় কর্ম-ফাঁসি
যে পরশ পরশে, সে পরশ চিনে লে না
যেও না আন্দাজী পথে মন-রসনা
যেখানে সাঁইর বারামখানা
যেতে সাধ হয় রে কাশী কর্ম ফাঁসি
যাও হে শ্যাম রাইকুঞ্জে আর এসো না
যার ভাবে আজ মুড়েছি মাথা
যেখানে সাঁইর বারামখানা
যেতে সাধ হয়রে কাশী
র
রসিক নাম ধরিয়ে মনা
রাখিলেন সাঁই কূপজল করে
রাত পোহালে পাখি বলে
রঙমহলে সিঁদ কাটে সদায়
রছুলকে চিনিলে খোদা চেনা যায়
রছুলের সব খলিফা কয় বিদায়-কালে
রসের রসিক না হলে কে গো জানতে পায়
রাখলে সাঁই কূপজল ক'রে
রাধার গুণ কত নন্দলাল তা জানে না
রাধার তুলনা পিরিত সামান্য যদি কেহ করে
রূপের ঘরে অটল রূপ বিহারে
রূপের তুলনা রূপে
ল
লয়ে গোধন গোষ্ঠের কানন
লীলে দেখে লাগে ভয়
শ
শহরে ষোল জনা বোম্বেটে
শ্রীরূপের সাধন আমার কৈ হল
শুদ্ধ প্রেম সাধলো যারা
শহরে ষোলজন বোম্বেটে
শুদ্ধ প্রেম না দিলে ভজে কে আর পায়
শুদ্ধ প্রেম রসিক বিনে চিনে কে তায়
শুদ্ধ প্রেম রসের রসিক যে রে সাঁই
শুদ্ধ প্রেম রাগে সদায় থাকরে আমার মন
শুদ্ধ প্রেম সাধনে যারা
শুদ্ধ প্রেমের প্রেমী মানুষ যে জন হয়
শুনে অজানা এক মানুষের কথা
ষ
ষড় রসিক বিনে কেবা তারে চেনে
স
সদা মন থেকো রে হুঁস
সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে
সব সৃষ্টি করলো যে জন
সময় গেলে সাধন হবে না
সাধুর সঙ্গে সাধুর সঙ্গ সর্ব শাস্ত্রে কয়
সাধ্য কি রে আমার সে রূপ চিনিতে
সামান্য জ্ঞানে কি মন তুই পাইবি রে
সামাল সামাল সমাল তরী
সুফলা ফলাচ্ছে গুরু মনের ভাব জেনে
সকলই কপালে করে
সত্য বল সুপথে চল
সদা মন থাকো বাহুঁশ
সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে?
সবে কি হবে ভবে ধর্মপরায়ণ
সময় গেলে সাধন হবে না
সহজ মানুষ
সহজ মানুষ ভজে দেখনা রে মন দিব্যজ্ঞানে
সাঁই আমার কখন খেলে কোন খেলা
সাধ মেটেনা লাঙ্গল চষে
সাধ্য কিরে আমার সেরূপ চিনিতে।
সে কি আমার কবার কথা
সেই কালাচাঁদ নদেয় এসেছে
সোনার মান গেল রে ভাই
সোনার মানুষ ভাসছে রসে
স্বরূপে রূপ আছে গিলটি করা
সকালে যাই ধেনু ল'য়ে
সদায় সে নিরঞ্জন নীরে ভাসে
সবলোকে কয়, লালন কি জাত সংসারে
সবাই কি তার মর্ম জানতে পায়
সময় গেলে রে ও মন সাধন হবে না
সাঁই আমার কখন খেলে কোন্ খেলা
সাঁই দরবেশ যারা
সাঁইর লীলা দেখে লাগে চমৎকার
সাধ্য কি রে আমার সে রূপ চিনিতে
সামান্যে কি অধর চাঁদ পাবে
সামান্যে কি তার মর্ম জানা যায়
সামান্যে কি তার মর্ম জানা যায়
সামান্যে কি সে ধন পাবে
সামান্যে কি সে প্রেম হবে
সুমঝে কর ফকিরি মন রে
সেই অটল রূপের উপাসনা
সেই কালাচাঁদ নদেয় এসেছে
সে কথা কি কবার কথা
সে করণ সিদ্ধি করা সামান্য কাজ নয়
সে কালার প্রেম করা কথার কথা নয়
সে নিমাই কি ভোলা ছেলে হবে
সে পরশের জোর যে পরশ
সে প্রেম গুরু জানাও আমায়
সে প্রেম সামান্যেতে কি জানা যায়
সে ভাব উদয় না হলে
সে ভাব সবাই কি জানে
সোনার মান গেল রে ভাই
সোনার মানুষ ঝলক দেয় দ্বি-দলে
সোনার মানুষ ভাসছে রসে
স্বরূপ রূপে নয়ন দেরে
স্বরূপে রূপ আছে গিল্টি করা
লালনগীতি | বর্ণানুক্রমিক সূচী | হ
হ
হক নাম বল রসনা
হাওয়ার ঘরে দম আটকা পড়েছে
হায় একি কলের ঘরখানি বেঁধে
হায় কি আজব কল বটে
হীরা লাল মতির দোকানে গেল না
হুজুরে কার হবে রে নিকাশ দেনা
হতে চাও হুজুরের দাসী
হরি বলে হরি কাঁদে কেনে
হরদম পড় এল্লেল্লা
হরি কাঁদে হরি ব'লে কেনে
হ'লাম না রে রসিক ভেয়ে
হায় কি কলের ঘরখানি বেঁধে
হায় চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি
হুজুরে কার হবে রে নিকাশ দেনা
ক্ষ
ক্ষম অপরাধ, ও হে দীননাথ
ক্ষম ক্ষম অপরাধ, দাসের পানে একবার